🔴 পেছন দিয়ে সহবাস করলে যে ক্ষতিগুলো হতে পারে
১. টিস্যু ছিঁড়ে যাওয়া (Anal Tear)
মলদ্বারের ভেতরের ত্বক খুব পাতলা ও নাজুক। সহবাসে চাপ পড়লে টিস্যু ছিঁড়ে যেতে পারে।
-
ব্যথা
-
রক্তপাত
-
দীর্ঘসময় অস্বস্তি
২. ইনফেকশনের ঝুঁকি
মলদ্বারে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া থাকে। ঘর্ষণ হলে এগুলো সহজেই ভেতরে প্রবেশ করে সংক্রমণ করতে পারে।
-
রেকটাল ইনফেকশন
-
ইউরিনারি ইনফেকশন
-
মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনি এবং জরায়ুতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি
৩. যৌন রোগ (STI) ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি
চিকিৎসা অনুযায়ী এনাল সেক্সে HIV, HPV, Gonorrhea, Chlamydia—এসব ছড়ানোর সম্ভাবনা যোনি সেক্সের তুলনায় বেশি।
৪. পাইলস বা হেমোরয়েডের ঝুঁকি বাড়ে
বারবার চাপ পড়লে:
-
পাইলস
-
রক্তপাত
-
চুলকানি
-
বসতে কষ্ট হওয়া
৫. মলদ্বার ঢিলা হয়ে যাওয়া (Fecal Incontinence)
যদি নিয়মিত বা জোর করে করা হয়, তাহলে পেশিগুলো দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
-
গ্যাস বা মল ধরে রাখতে সমস্যা
-
স্থায়ী অস্বস্তি
৬. পারিনিয়াল ব্যথা
সহবাসের পর কয়েক দিন পর্যন্ত
-
ব্যথা
-
জ্বালা
-
বসতে সমস্যা
হতে পারে।
৭. মানসিক অস্বস্তি বা Trauma
যদি কেউ বাধ্য হয়ে করে বা ব্যথা বেশি হয়, মানসিকভাবে অস্বস্তি বা ভয় তৈরি হতে পারে।
🔵 কী করলে ঝুঁকি কিছুটা কমানো যায় (যদি কেউ করে থাকে)
(এগুলো ক্ষমা প্রার্থনা নয়, শুধুই স্বাস্থ্যবিদদের সুপারিশ)
-
কনডম অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে (STI ঝুঁকি অনেক কমায়)
-
লুব্রিকেন্ট ব্যবহার জরুরি (মলদ্বারে স্বাভাবিক লুব্রিকেশন নেই)
-
ধীরে ও সতর্কভাবে
-
শরীর ব্যথা পেলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করা
-
মলদ্বারের পর একই কনডম দিয়ে যোনিতে যাওয়া যাবে না—সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে
🔵 সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
মলদ্বারের ভেতরে কোনো প্রাকৃতিক লুব্রিকেশন নেই এবং এটি যৌন মিলনের জন্য তৈরি গঠন নয়। তাই সবসময়ই ঝুঁকি বেশি থাকে।
.jpg)