বৈঠকে একে অন্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প-মামদানি



বৈঠকে একে অন্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প–মামদানি

কপিরাইট-মুক্ত প্রতিবেদন

নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার সাম্প্রতিক বৈঠক রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য দিলেও হোয়াইট হাউসের বৈঠকে দুই নেতা ছিলেন বেশ স্বচ্ছন্দ, আন্তরিক এবং প্রশংসাসূচক মনোভাবের।

ওভাল অফিসে মুখোমুখি বসেই ট্রাম্প প্রথমেই মামদানির যুক্তিনিষ্ঠ নেতৃত্বগুণের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, নিউ ইয়র্কের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে মামদানির ভাবনা তাঁকে আশাবাদী করে তুলেছে। ট্রাম্পের ভাষায়, নতুন মেয়র যদি তার পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেন, তাহলে শহরটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো অবস্থায় পৌঁছাবে।

মামদানি নিজেও বৈঠক নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন। তিনি জানান, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও নিউ ইয়র্কবাসীর স্বার্থ ও দৈনন্দিন সমস্যাগুলো নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে অনেক বিষয়ে মিল খুঁজে পেয়েছেন। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং শহরের আবাসন সংকট—এই তিনটি প্রধান ইস্যুকে দু’জনই গুরুত্ব দিয়েছেন।

বৈঠকের পুরো সময়টাতেই দেখা গেছে মেজাজ বেশ হালকা। অতীতের কিছু কড়া মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুললে দুই নেতা হাস্যরসের মাধ্যমেই তা এড়িয়ে যান। এতে বোঝা যায়—ভিন্ন রাজনৈতিক ধারায় থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নয়নের ব্যাপারে দু’জনই আগ্রহী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতে ফেডারেল সরকার ও নিউ ইয়র্ক সিটির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পথে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নিরাপত্তা জোরদার এবং নগর অবকাঠামো সংস্কারে এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সংক্ষেপে বলা যায়—ট্রাম্প ও মামদানি দু’জনই অতীতের তিক্ততা ভুলে নিউ ইয়র্কের স্বার্থকে সামনে রেখে এক ধাপ এগিয়ে এসেছেন। তাদের এই ইতিবাচক বৈঠক ভবিষ্যতের সহযোগিতার দ্বার খুলে দিতে পারে।



Post a Comment

Previous Post Next Post

Blog Archive

kaler khota, কালের কথা, নিউজ, news